বৃহস্পতিবার, ২০২৬ অক্টোবর ২৯ | ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Crime24TV Logo
আর্কাইভ বাংলা কনভার্টার
Crime24TV Logo
Logo
Logo

ক্রাইম ২৪ প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ অপরাধ সংবাদ, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং নগরজীবনের অজানা তথ্য পাঠকের সামনে তুলে ধরে।

সম্পাদক: তাওহিদ হোসেন মিঠু

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:

মসজিদ মার্কেট (২য় তলা),
ছোটরা, কুমিল্লা-৩৫০০।

02334400099, 02334404652
০১৭২৬০১২০০৭ 
০১৭১১৩৮৮১৫৫

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন
🔴 সর্বশেষ:
প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক, পদ হারালেন জামায়াত নেতা বাংলাদেশিদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠিয়েছে রাশিয়া, প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ কিশোরীকে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ ৩৯৬টি কবর খুঁড়ে চিরবিদায় নিলেন হাফেজ শিকদার, অপূর্ণ রয়ে গেল ৪০০ ছোঁয়ার ইচ্ছা এতিমখানার ইলিশ ভাগাভাগি করে নিলেন মাদ্রাসা শিক্ষক কুমিল্লা কান্দিরপাড় ভিক্টোরিয়া কলেজের পেছনের গলিতে ছিনতাই কুমিল্লায় ৫ লাখ টাকার পণ্যের কার্টনে মিলল ইট ও বাঁশ ছেলের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল বাবার শিশুর হাত-মুখ চেপে দোকানে নিয়ে যান ইয়াসিন, ধর্ষণের পর দিলেন ২০ টাকা ৯৯৯ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করলেন অভিনেতা শিমুল জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৬০০ ছাত্রীকে সাইকেল উপহার ৩ মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীর মাকে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা আদায়ের অভিযোগ, গ্রেপ্তার এক মাকে কুপিয়ে হত্যা, মেয়ে আটক বিরোধীদলে থাকতেই কবর দিতে বাধা, রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে কী করবেন: তাসনিম জারা সাঈদীর মামলার বাদীর দাফনে আসেনি কেউ, কবর খুঁড়েন স্ত্রী-মেয়ে-বোন শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে মসজিদের ইমামের যাবজ্জীবন অপরাধী শিক্ষকদের বাঁচাতে সত্য আড়াল করলে মাদ্রাসার চূড়ান্ত ক্ষতি হবে: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘মাদরাসায় শারীরিক শাস্তি বা অনুপযুক্ত স্পর্শ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়’ বাবার বাড়ি থেকে নাস্তা কম দেওয়ায় মারধর, ৯ দিন পর অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মৃত্যু স্বামীর ভালোবাসার আলিঙ্গনে পাঁজরের ৫ হাড় ভেঙে হাসপাতালে স্ত্রী
প্রতিবেদক - | রবিবার, ২০২৬ অক্টোবর ২৫, ০৫:২২ অপরাহ্ন
অপরাধী শিক্ষকদের বাঁচাতে সত্য আড়াল করলে মাদ্রাসার চূড়ান্ত ক্ষতি হবে: শায়খ আহমাদুল্লাহ
অপরাধী শিক্ষকদের বাঁচাতে সত্য আড়াল করলে মাদ্রাসার চূড়ান্ত ক্ষতি হবে: শায়খ আহমাদুল্লাহ

মাদ্রাসাগুলোতে ঘটে যাওয়া নানা অনৈতিক ও জঘন্য কর্মকাণ্ডের জন্য মূলত অনুমোদনহীন ও মানহীন ভুঁইফোঁড় কিছু প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করেছেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। তিনি বলেছেন, এসব প্রতিষ্ঠানের অপরাধের কারণে গোটা মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়ছে। তাই অপরাধী শিক্ষকদের বাঁচাতে কোনো প্রতিষ্ঠান যদি সত্য আড়াল করে, তবে তা পুরো মাদ্রাসা ব্যবস্থার জন্য চরম ও অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে আনবে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) শায়খ আহমাদুল্লাহর ভেরিফায়েড ইউটিউব চ্যানেলে তিনি এ কথা বলেন। একই সঙ্গে টঙ্গীর সাম্প্রতিক ঘটনার উদাহরণ টেনে তিনি কোনো অবস্থাতেই আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার এবং বিচারহীন বা তদন্তহীন ক্ষোভ প্রদর্শন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, মাদ্রাসায় অনাচারের যেসব ঘটনা শোনা যায়, তার অধিকাংশই ভুঁইফোঁড় ও মানহীন বেসরকারি মাদরাসায় ঘটে। তবে এসব প্রতিষ্ঠানও মাদরাসা হওয়ায় তাদের অপকর্মের প্রভাব পুরো মাদরাসা ব্যবস্থার ওপর পড়ছে। তাই এ ধরনের অপরাধ বন্ধে মাদরাসা পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

তিনি জানান, মাদ্রাসায় অনাচার প্রতিরোধে বেশ কিছু পদক্ষেপের প্রস্তাবনা তৈরি করে আগেই ৩০ জনের বেশি শীর্ষ আলেমের কাছে পাঠিয়েছিলেন তিনি। পরে জনসচেতনতা তৈরির জন্য নিজের ফেসবুক পেজেও প্রস্তাবনাটি প্রকাশ করেন।

বোর্ড বা প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বে না থাকায় লেখা ও সচেতনতা তৈরির বাইরে তার কোনো দাপ্তরিক ক্ষমতা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আবাসিক মাদ্রাসাগুলো লাখ লাখ এতিম-অসহায় শিক্ষার্থীর আশ্রয়স্থল ও দ্বীনি শিক্ষার মূল কেন্দ্র। এই কেন্দ্রগুলোর মর্যাদা ও জনআস্থা ধরে রাখতে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং শীর্ষস্থানীয় আলেমদের সর্বশক্তি নিয়োগ করে পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় ইতিহাসের দায় তাদেরকেই নিতে হবে।

অপরাধীদের রক্ষার চেষ্টার কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘এত কিছুর পরও যদি কোনো প্রতিষ্ঠান শিক্ষক নামের কতিপয় অপরাধীকে বাঁচানোর চেষ্টা করে, সমাধানের পথে না গিয়ে সত্য আড়াল করে, তবে এই লুকোচুরি মাদ্রাসার জন্য চূড়ান্ত ক্ষতি ডেকে আনবে। তখন আফসোস ছাড়া আর কিছু করার থাকবে না।

টঙ্গীতে ঘটে যাওয়া এক ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বিচারহীন ক্ষোভ ও আইন নিজের হাতে নেওয়ার প্রবণতা সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক করে বলেন, অপরাধ প্রমাণের আগেই মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিচার করে ফেলা হলে এবং তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত না হলে ওই শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। এমন ক্ষতি পরে কীভাবে পূরণ করা সম্ভব, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

অতীতের কয়েকটি ঘটনার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার পর অনেক ক্ষেত্রে ভিন্ন বাস্তবতা সামনে এসেছে। তাই যেকোনো পরিস্থিতিতে আইন হাতে না নিয়ে দায়িত্বশীল আচরণ করা জরুরি।

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ধর্ম অবমাননাসহ কোনো ইস্যুতেই ইসলাম আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অনুমতি দেয় না। তাই মাদ্রাসা বা যে কোনো জায়গায় সংঘটিত অনাচারের বিরুদ্ধে সরব থাকার পাশাপাশি আমাদের ক্ষণিকের ক্রোধ যেন অন্যের অপূরণীয় ক্ষতির কারণ না হয়, সে বিষয়েও সজাগ থাকি।

মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো * চিহ্নিত।